কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯ এ ০৮:৫৭ PM
কন্টেন্ট: পাতা
১। সুদ মুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ:
পরিবার জরিপের মাধ্যমে যদি ক অথবা শ্রেণি ভুক্ত পরিবার হিসেবে নির্বাচিত হয়; সেক্ষেত্রে ১০ থেকে ১৫টি পরিবার নিয়ে একটি দল গঠন করা হবে। দলের দলনেতা ও সহকারী দলনেতার সমন্বয়ে গ্রামে একটি কমিটি থাকবে।দলীয় সভার মাধ্যম দলের সদস্যদের চাহিদার তালিকা প্রস্তুত করতে হবে এবং প্রস্তুতকৃত চাহিদা গ্রাম পর্যায়ে অনুমোদনের জন্য গ্রাম কমিটির সভায় স্ব স্ব দলের নেতা/সহনেতা উপস্থাপন করবেন। গ্রাম কমিটি অনুমোদন পূর্বক তা চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপজেলা পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম বাস্তবায়ন কমিটিতে (ইউপিআইসি) প্রেরণ করবেন। উপজেলা কমিটির চূড়ান্ত অনুমোদনের পর সেবা গ্রহিতা স্ব স্ব এলাকায় বসে সেবা গ্রহণ করবেন।
২।দগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পুনর্বাসন কার্যক্রম;
যাদের বার্ষিক গড় আয় সর্বোচ্চ ১০,০০০/- এবং পুরুষের ক্ষেত্রে বয়স সর্বনিম্ন ৬৫ বছর ও মহিলার ক্ষেত্রে বয়স সর্বনিম্ন ৬২ বছর তারা নির্ধারিত ফরমে উপজেলা/শহর সমাজসেবা অফিসার বরাবরে আবেদন করবেন। নীতিমালা অনুসারে ইউনিয়ন কমিটি কর্তৃক আবেদনসমূহ যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করে সুপারিশসহ চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপজেলা ক... বিস্তারিত
১. নির্ধারিত ফরমে আবেদন
২. ইউপি চেয়ারম্যান/সদস্য কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র
৩. পাসপোর্ট সাইজের ছবি
৪. জাতীয় পরিচয়পত্র/নাগরিকত্ব সনদ (ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/মেম্বার কর্তৃক সত্যায়িত)
১. বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম বাস্তবায়ন নীতিমালা
২. সরকারি অন্য কোনো সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে সেবা গ্রহণ করে থাকলে এ সেবা পাবেন না
৩. পেনশনারী ব্যক্তি এ সেবা পাবেন না
*নিবন্ধীত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে আর্থিক সহায়তা :
প্রতিবন্ধিতা জীববৈচিত্রের একটি অংশ। সব প্রতিবন্ধিতা দৃশ্যমান নয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধিতা দীর্ঘস্থায়ীও নয়। বরং বিভিন্ন ক্ষেত্রে অস্থায়ী প্রতিবন্ধিতা দেখা যায়। বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রতিবন্ধীব্যক্তি রয়েছে মর্মে ধারণা করা হয়। প্রতিবন্ধীব্যক্তিবর্গের মধ্যে বেশিরভাগই দারিদ্র্যের শিকার তথা নিম্নআয়ভুক্ত বলে বিভিন্ন গবেষণায় এতৎসংক্রান্ত তথ্য লক্ষ্য করা যায়। প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য নিরসন ও জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ সময়ের দাবী। দারিদ্র্য নিরসন ও জীবনমান উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন তাদের উপযোগী চিকিৎসা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদানে লক্ষ্যভিত্তিক পরিকল্পিত কার্যক্রম গ্রহণ। এই লক্ষ্যে প্রতিবন্ধিতার ধরন চিহ্নিতকরণ, মাত্রা নিরূপণ ও কারণ নির্দিষ্টপূর্বক প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী’র সঠিক পরিসংখ্যান নির্ণয়ের নিমিত্ত দেশব্যাপী ‘প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ জরিপ কর্মসূচি’ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ জরিপ কর্মসূচি একটি চলমান কার্যক্রম। যে সকল প্রতিবন্ধি ব্যক্তি এখনও প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ জরিপের আওতাভুক্ত হননি, তারা নিম্নোক্ত লিংকে প্রবেশ করে বিস্তারিত জানতে পারবেন।